লেবুর উপকারিতা এবং অপকারীতা!

এই আর্টিকেলে আমরা জানতে পারব লেবুর উপকার ও অপকার সম্পর্কে।ঔষধ তৈরি থেকে শুরু করে খাওয়া,রান্নাবান্নার কাজে ও লেবু ব্যবহার হয়ে আসছে। ভারতের আসাম পশ্চিমে প্রথম লেবু ব্যবহার করা হয়।গবেষকদের মতে বহুকাল আগে থেকেই লেবু ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি এবং একাধিক পুষ্টি উপাদান এতে বিদ্যমান সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট নামক পাথর তৈরিতে বাধা প্রধান করে। ক্ষত স্থান দ্রুত সরাতে লেবুতে থাকা ভিটামিন সি কাজ করে,সর্দি কাশির সমস্যা দূর করে,স্নায়ু মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়। মূএনালিতে সংক্রমন ঘটলে প্রচুর পরিমানে লেবুর রস খেলে ভালো উপকার রয়েছে। লেবুর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে খুবই কার্যকারি।লেবু হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যদূর করে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়, রোগ প্রতি রোধ ক্ষমতা বাড়ায়, রক্তচাপ কমিয়ে দেয়, পটাশিয়ামের মাএা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে রিহাইড্রেট করে। লেবু ডায়াবেটিকদের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল,এটি গর্ভবতীদের জন্য সুস্থ থাকাতে সাহা করে।


সকালে লেবু পানি খেলে বিপাকে সাহায্য করে। লেবু নিয়মিত খেলে মুখে দূর্গন্ধ হবে না। এছাড়াও এটি বয়স ধরে রাখতে উপকারী। প্রত্যেক জিনিসেরই কিছু ভালো ও কিছু খারাপ দিক রয়েছে। তেমনি লেবুর ও কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। অতিরিক্ত লেবু খেলে মুখে ঘা হতে পারে। গবেষণা থেকে জানা যায় যে,লেবুতে বিদ্যমান সাইট্রিক অ্যাসিড মুখের আলসারকে বৃদ্ধি করতে পারে। মুখে ফোস্কা বা ঘা থাকলে লেবু বা অন্য কোনো টক জাতীয় ফল খাওয়া যাবে না। অতিরিক্ত লেবু খেলে রক্তে আয়রনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অ্যাসিড এবং বমির আশঙ্কা বাড়ে,দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যায় এবং মাইগ্রেনের সমস্যা হয়।অতিরিক্ত টক জাতীয় ফল খাওয়া আলসার ডেকে আনবে। অতিরিক্ত লেবুর পানি পান করলে হাড়ের স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায়।তাছাড়া ও অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়।ক্ষতিকর দিক খুবই কম এবং এর উপকার দিকই বেশি। তাই প্রত্যেকের উচিৎ পরিমাণ অনুযায়ী লেবু বা লেবু পানি পান করা।

Leave a Comment